আমাদের কার্যক্রম
সমিতির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও কার্যক্রম :
ফরিদগঞ্জ উপজেলার চান্দ্রা বাজার সংলগ্ন এলাকার কয়েকজন শিক্ষিত যুবক একত্রিত হয়ে ০৫.০৩.২০০১ তারিখে সাংগঠনিক সভার মাধ্যমে চান্দ্রা শিক্ষিত বেকার যুব বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড গঠন করা হয়। ১৭.০৬.২০০১ তারিখে সমবায় বিভাগ হতে নিবন্ধন নিয়ে পর্যায়ক্রমে চাঁদপুর জেলাব্যাপী এ সমিতির কার্যক্রম চালু হয় এবং ১৭টি শাখা অফিসের মাধ্যমে সদস্যদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা তৈরি ও স্বনির্ভরতা অর্জনসহ বিভিন্ন আয়-বর্ধক কাজে নিয়োজিত করেন। সমিতিটি কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৩ ও ২০১০ সালে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান ও ২০০৮ সালে শ্রেষ্ঠ সংগঠক ক্যাটাগরীতে জাতীয় সমবায় পুরস্কার স্বর্ণ পদক লাভ করে। ২০১৩ সালে সমবায় সমিতি আইন সংশোধন করে অসদস্য হতে আমানত গ্রহণ ও শাখা অফিস বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হলে চান্দ্রা সমিতি অসদস্যদের আমানত ফেরত দেওয়া হয় এবং শাখা অফিসগুলো বন্ধ করা হয়। পরবর্তীতে চান্দ্রা সমিতির কার্যক্রম বর্তমানে শিক্ষিত বেকার কেন্দ্রীয় সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড গঠন করে কেন্দ্রীয় সমিতির তত্ত্বাবধানে সদস্য সমিতিগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
সদস্য ভর্তি :
সমিতির সদস্য নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী শিক্ষিত বা প্রশিক্ষিত ১৮ বছর বা তার অধিক বয়সের সুস্থ ও কর্মক্ষম ব্যক্তি ১০০ টাকা ভর্তি ফি, ১০০ টাকা মূল্যের কমপক্ষে ১টি শেয়ার ক্রয় ও ন্যূনতম ৫০০ বা তার অধিক টাকা মাসিক সঞ্চয় জমার মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে সদস্য ভর্তি করা হয়।
সদস্য পদের সুবিধা :
সদস্য পদের ক্রয়কৃত শেয়ার এর উপর (বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদিত হারে) বার্ষিক লভ্যাংশ প্রদান করে নগদ পরিশোধ করা হয় এবং সমিতি ২০০১ সাল হতে ধারাবাহিক প্রত্যেক বছর লভ্যাংশ প্রদান করা হয়েছে।
মাসিক জমাকৃত সঞ্চয় আমানতের মুনাফা প্রত্যেক বছর পূর্তিতে সদস্য পদে জমা/প্রদান করা হয়। সদস্যপদ বা সঞ্চয় আমানত প্রত্যাহার করা হলে জমা/প্রদানকৃত মুনাফা কোন প্রকার কর্তণ না করে সম্পূর্ণ মুনাফা পরিশোধ করা হয়। সদস্য তার প্রয়োজনে যে কোন সময় ১০০/-টাকা প্রত্যাহার ফি দিয়ে সদস্যপদ প্রত্যাহার করে জমাকৃত টাকা প্রাপ্ত মুনাফাসহ পরিশোধ করা হয়।
মাসিক জমাকৃত সঞ্চয় আমানতের মুনাফা প্রত্যেক বছর পূর্তিতে সদস্য পদে জমা/প্রদান করা হয়। সদস্যপদ বা সঞ্চয় আমানত প্রত্যাহার করা হলে জমা/প্রদানকৃত মুনাফা কোন প্রকার কর্তণ না করে সম্পূর্ণ মুনাফা পরিশোধ করা হয়। সদস্য তার প্রয়োজনে যে কোন সময় ১০০/-টাকা প্রত্যাহার ফি দিয়ে সদস্যপদ প্রত্যাহার করে জমাকৃত টাকা প্রাপ্ত মুনাফাসহ পরিশোধ করা হয়।
সদস্য কর্মসংস্থান :
শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত বেকার সদস্যগণ উদ্যোক্তা কর্মসংস্থান বা আত্ম-কর্মসংস্থান (যে কোন ব্যবসা বা উৎপাদনমুখী ব্যবসায়ী কার্যক্রম), প্রবাস কর্মসংস্থান (প্রবাসে কাজের জন্য গমন), প্রবাসে উচ্চশিক্ষা (লেখাপড়ার জন্য প্রবাসে গমন) এর উদ্দেশ্যে সমিতি হতে ঋণ প্রদান করা হয়।
সদস্যদের জন্য আবাসন সুবিধা :
সদস্য তার মাসিক আয়ের বিপরীতে দীর্ঘ মেয়াদী মাসিক কিস্তিতে দালানঘর নির্মাণ, বাড়ী নির্মাণ, প্লট, ফ্ল্যাট ও ভূমি ক্রয়ে ঋণ প্রদান করা হয়।
সদস্যদের জন্য গৃহায়ন পণ্য বা হোম ফার্ণিচার :
সদস্য তার মাসিক আয়ের বিপরীতে মাসিক কিস্তিতে গৃহ/ঘরের ব্যবহারযোগ্য আসবাবপত্র (খাট, সোফা, ডাইনিং টেবিল, শোকেস, ফ্রিজ, টিভি, এসি, আইপিএস, জেনারেটর, ইন্টেরিয়র ইত্যাদি পণ্য ক্রয়ে ঋণ প্রদান করা হয়।
সদস্যদের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা :
সদস্য তার মাসিক আয়ের বিপরীতে দীর্ঘ মেয়াদী মাসিক কিস্তিতে মোটর সাইকেল, প্রাইভেট কার, জীপ, মাইক্রো গাড়ি ক্রয়ে ঋণ প্রদান করা হয়।
সমিতির মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা :
সমিতির এসবিসিএল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সদস্যগণের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিশেষ ছাড় দেওয়া হয় এবং অভিজ্ঞ ডাক্তার, আধুনিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা মেশিন, অভিজ্ঞ টেকনোলজিস্ট ও সেবা কর্মীর মাধ্যমে সদস্যদের বিশেষ সেবা দেওয়া হয়।
সমিতির নিজস্ব তৈরি ডায়নামিক সফটওয়্যার :
উদ্ভাবনী চিন্তা থেকে স্বচ্ছ জবাবদিহি মূলক আধুনিক প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে ডায়নামিক সফটওয়্যার সব ধরণের কার্যক্রমকে অনলাইন ও অফলাইনের মাধ্যমে সমিতির কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সদস্যগণকে দ্রুত সেবা দেওয়ার জন্য আমাদের সফটওয়্যার প্রযুক্তিনির্ভর ও যুগোপযোগী ভূমিকা পালন করছে।
সমিতির মাধ্যমে সামাজিক কার্যক্রম :
সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনের লক্ষ্যে সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০০৮ সনে “সমাজ ও জনকল্যান তহবিল” নামক প্রকল্পের কার্যক্রম আরম্ভ করা হয়। কেন্দ্রীয় সমিতি ও ১৬ (ষোল) টি সদস্য সমিতির নীট লাভ হতে সৃষ্ট দাতব্য তহবিল এবং প্রকল্প বিভাগের বাৎসরিক অনুদান উক্ত তহবিলের উৎস। বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও সমবায় দিবস পালন, সমিতির পক্ষ থেকে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ হতদরিদ্রদের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান, বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগকালীন সহযোগিতা, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আর্থিক অনুদান প্রদান, এতিম-গরীব অথচ মেধাবীদের লেখাপড়া, মৃত ব্যক্তির দাফন, শীতবস্ত্র বিতরণ, চিকিৎসা খাতে সাহায্য, দরিদ্র মেয়ের বিয়ের অনুদান, শিক্ষা বৃত্তি প্রদান, এবং ধর্মীয় উপাসনালয়,রাস্তাঘাট নির্মাণ-মেরামতসহ সমাজ ও জনসাধারণ উপকার হয় এমন কাজে প্রকল্পের তহবিল হতে অনুদান প্রদান করা হয়।

FIND US IN SOCIAL MEDIA
Total Visitors:
107726